সপ্তাহের সাত দিনের মধ্যে জুমার দিনকে ইসলামে ‘সায়্যিদুল আইয়াম’ বা দিনসমূহের অধিপতি বলা হয়েছে। এই দিনের অসংখ্য ফজিলতের মধ্যে অন্যতম হলো ‘দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত’। হাদিস শরিফের বর্ণনা অনুযায়ী, জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন বান্দার কোনো দোয়াই মহান আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না।
জুমার দিনে
ইসলামে জুমা ও জুমাবারের রাত-দিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মুসলমানদের জন্য জুমার দিন দুই ইদের দিনের মত।
সপ্তাহের অন্য কোনো দিনের চেয়ে জুমাবারের গুরুত্ব বেশি। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো।
জুমার দিন হচ্ছে সপ্তাহের সেরা দিন। এই দিনের অনেক ফজিলতপূর্ণ আমাল রয়েছে।
মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন।
ইসলামে জুমার দিনের অপরিসীম গুরুত্ব। এটি সপ্তাহের ঈদের দিন। ‘জুমা’ শব্দটি ‘জমা’ শব্দ থেকে এসেছে। জমা আরবি শব্দ। এর অর্থ একত্র হওয়া বা একত্র করা।
বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমরা সবশেষে এসেও কেয়ামতের দিন অগ্রণী হব। আমরাই প্রথম জান্নাতে প্ৰবেশ করব। যদিও তাদেরকে আমাদের আগে (আসমানি) কিতাব দেওয়া হয়েছিল।
জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতোই। বিশেষ এই দিনে বান্দার জন্য রয়েছে অশেষ ফজিলত। এ দিনে ইসলামী ইতিহাসে বড় বড় ও মহৎ কিছু ঘটনা ঘটেছে।
মুসলিমদের কাছে জুমার দিন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ দিন। জুমার দিনে এমন কিছু সময় আছে যখন আল্লাহ তার বান্দার দোয়া ফিরিয়ে দেন না।
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো—